আমরা শুধু একটা ওয়েবসাইট নই — JYA হলো বাংলাদেশের কোটি মানুষের বিনোদন ও উত্তেজনার সঙ্গী। নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ বাংলায় একটি পরিপূর্ণ গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।
কীভাবে শুরু হয়েছিল, আজ কোথায় এসেছি
২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন গেমিংয়ের বাজার ছিল, কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে কোনো প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়নি বললেই চলে। ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট বিদেশি কার্ডে এবং সাপোর্ট দলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ভাষার দেওয়াল। ঠিক এই সমস্যাটা সমাধান করতেই JYA-র জন্ম।
একটা ছোট দল, বড় স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেছিল। প্রথম দিকে শুধু ক্রিকেট বেটিং আর কিছু স্লট গেম ছিল। কিন্তু ব্যবহারকারীরা সাড়া দিলেন — প্রথম বছরেই এক লাখের বেশি নিবন্ধন। সেই উৎসাহ দেখে JYA দল আরও বড় স্বপ্ন দেখতে শুরু করল।
২০২০ সালে JYA-র সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস চালু হলো। বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট যোগ হলো। তারপর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। আজ JYA-তে ৩৫৭টির বেশি গেম, ৩০টি স্পোর্টস বিভাগ এবং ৫০ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন।
JYA-র সাফল্যের পেছনে একটাই কারণ — আমরা সবসময় ব্যবহারকারীর কথা প্রথমে ভেবেছি। কোনো নতুন ফিচার আনলে আগে বাংলাদেশের বাস্তবতায় সেটা কাজ করবে কিনা দেখা হয়েছে। দুর্বল নেটওয়ার্কেও অ্যাপ চলে, ছোট স্ক্রিনেও সব ঠিকমতো দেখা যায় — এই সামান্য বিষয়গুলো আমাদের কাছে অনেক বড়।
ক্রিকেট বেটিং ও স্লট গেম নিয়ে প্রথম সংস্করণ লঞ্চ। প্রথম বছরেই ১ লাখ+ নিবন্ধন।
লাইভ বাকারা, রুলেট ও ব্ল্যাকজ্যাক চালু। মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন আনা হলো।
সম্পূর্ণ বাংলায় প্ল্যাটফর্ম সাজানো হলো। বিকাশ ও নগদে জমা-তোলা শুরু।
Bronze থেকে Diamond — পাঁচ স্তরের লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু। ২৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
প্রথম ছয় মাসে ৫ লাখ+ ডাউনলোড। ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন ও পুশ নোটিফিকেশন যোগ।
JYA পরিবারে ৫০ লাখ সদস্য। বাংলাদেশের এক নম্বর বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি।
আমাদের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা আমাদের আলাদা করে
JYA আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে আপনার তথ্য ও অর্থ সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষকে আপনার ডেটা দেওয়া হয় না।
মেনু থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট — সব কিছুই বাংলায়। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য JYA একমাত্র সম্পূর্ণ বাংলা বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে ৫ মিনিটের মধ্যে উত্তোলন। ডিপোজিট তাৎক্ষণিক। Diamond ভিআইপিদের জন্য সীমাহীন উত্তোলন।
স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন — সব একটি প্ল্যাটফর্মে। প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম যোগ হচ্ছে।
লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও টেলিগ্রামে ২৪ ঘণ্টা বাংলায় সাহায্য পাবেন। গড় রেসপন্স টাইম মাত্র ২ মিনিট।
ওয়েলকাম বোনাস, রিলোড, ক্যাশব্যাক ও ভিআইপি পুরস্কার — JYA-তে প্রতি সপ্তাহ নতুন অফার। বোনাসের শর্ত সহজ ও স্বচ্ছ।
কেন আমরা প্রতিদিন কাজ করি
"বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যাতে ঘরে বসে নিরাপদে, সহজে এবং আনন্দের সঙ্গে গেমিং উপভোগ করতে পারেন — এটাই JYA-র মূল লক্ষ্য।"
JYA বিশ্বাস করে যে বিনোদন হওয়া উচিত সবার নাগালের মধ্যে। প্রযুক্তির ব্যবধান দূর করে, ভাষার বাধা সরিয়ে এবং পেমেন্টকে সহজ করে আমরা সেই স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
চারটি নীতি যা আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিচালিত করে
অডস, বোনাসের শর্ত, উত্তোলনের নিয়ম — সব কিছু স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
আপনার অর্থ ও তথ্য আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ব্যাংক-স্তরের এনক্রিপশন ও দুই-স্তরের যাচাই ব্যবস্থা।
JYA দায়িত্বশীল গেমিং-এ বিশ্বাস করে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম সরাসরি অ্যাকাউন্টে পাবেন।
প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম, প্রতি মাসে নতুন ফিচার। JYA থেমে থাকে না।
যারা প্রতিদিন JYA-কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
১৫ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতা। JYA-র দৃষ্টিভঙ্গির মূল স্থপতি।
প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতার দায়িত্বে। দলে ৫০+ প্রকৌশলী।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ডিজাইন করেন। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর চাহিদার বিশেষজ্ঞ।
১০০+ সাপোর্ট এজেন্ট পরিচালনা করেন। JYA-র ৯৮% রেজোলিউশন রেটের পেছনে তিনি।
JYA-র পুরো দলে ৩০০+ দক্ষ কর্মী বাংলাদেশ ও বিশ্বজুড়ে কাজ করছেন।
শিল্প বিশেষজ্ঞরা JYA-কে কীভাবে দেখছেন
বিশ্বের সেরা প্রদানকারীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক
JYA শুধু একটা বেটিং সাইট নয় — এটা একটা প্রতিশ্রুতি। যখন কেউ JYA-তে অ্যাকাউন্ট খোলেন, তিনি শুধু একটা প্ল্যাটফর্মে যোগ দেন না, একটা বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য হন। এই পরিবারে আছেন ঢাকার তরুণ থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, সিলেটের চা বাগানের কর্মী থেকে রাজশাহীর শিক্ষার্থী।
JYA-র দায়িত্বশীল গেমিং নীতি নিয়ে আলাদাভাবে বলা দরকার। আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন সীমার মধ্যে হওয়া উচিত। তাই JYA-তে প্রতিটি অ্যাকাউন্টে দৈনিক বা সাপ্তাহিক জমার সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে। কেউ যদি মনে করেন একটু বিরতি দরকার, নিজেই অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখতে পারবেন। এই ফিচারগুলো আমরা গর্বের সঙ্গে দিই কারণ আমাদের কাছে ব্যবহারকারীর সুস্থতা টাকার চেয়ে বড়।
প্রযুক্তির দিক থেকে JYA সবসময় এগিয়ে থেকেছে। বাংলাদেশে প্রথম সম্পূর্ণ বাংলা বেটিং অ্যাপ JYA-ই এনেছিল। বল-বাই-বল ক্রিকেট বেটিং, লাইভ ক্যাশ আউট, ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন — এই ফিচারগুলো JYA বাজারে এনেছিল এবং অন্যরা পরে অনুসরণ করেছে।
ভবিষ্যতে JYA আরও এগিয়ে যেতে চায়। এআই-ভিত্তিক ব্যক্তিগতকৃত অভিজ্ঞতা, আরও বেশি স্থানীয় ভাষায় সাপোর্ট এবং নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি — এসব নিয়ে কাজ চলছে। JYA-র দল প্রতিদিন নতুন কিছু শেখে এবং সেই জ্ঞান ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কাজে লাগায়।
সবশেষে একটাই কথা — JYA-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকেন আপনি, আমাদের ব্যবহারকারী। আপনার আস্থাই JYA-র সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
দুটো সমস্যা যেগুলো মাঝেমধ্যে ঘটে — সমাধান জেনে রাখুন